Thursday, January 1, 2015

What is torrent ? How its work ? ( ictzonebd )

টরেন্ট কি এবং কিভাবে ডাউনলোড করবেন Online bangla free tutorial


পোস্টটি টরেন্ট সম্পর্কে অনভিজ্ঞদের জন্য । যারা অনলাইনে বিচরন করেন তারা নিশ্চয় ডাউনলোডের সাথে কম বেশি পরিচিত। আর ডাউনলোড করেছেন এমন কেউ নিশ্চয় টরেন্টের সাথেও পরিচিত। তবে নতুন যারা তারা টরেন্ট নিয়ে বিপাকে পড়ে থাকেন। যেমন গুরুত্বপূর্ন একটা ফাইল ডাউনলোড দিলেন। অনেক বড় সাইজ কিন্তু তারপরও আপনার IDM বা ফায়ারফক্স কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ফাইলটি ডাউনলোড করে দিল। এত বড় ফাইল খুব তাড়াতাড়ি ডাউনলোড হয়ে গেছে দেখে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যখন খুলতে গেলেন তখন দেখা যায় .torrent  এক্সটেনশনের এই ফাইলটি আর খুলছে না। আসলে আপনার কাঙ্খিত ফাইলটি ডাউনলোড হয়নি। সাধারণ ডাউনলোড ম্যানেজার টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করতে পারে না। আমরা টরেন্ট সম্পর্কে একটু জেনে নিই।


টরেন্ট কিঃ আমরা অনলাইনের মাধ্যমে যে ফাইলগুলো ডাউনলোড করি তা সাধারণত কোন অনলাইন সার্ভারে আপলোড বা জমা থাকে। ঐ সার্ভারগুলো চব্বিশ ঘন্টাই খোলা থাকে। তাই আমরা যেকোন মূহুর্তে ঐ সাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারি। কিন্তু Torrent ফাইলগুলো কোন অনলাইন সার্ভারে আপলোড করা থাকে না। বরং তা থাকে কারো পিসিতে। আর ঐ পিসি থেকে আপনি যখন তার ফাইলটা ডাউনলোড করবেন তখন তাকে বলে টরেন্ট ডাউনলোড। বিষয়টা অনেকটা পিসি শেয়ারিং এর মত। একই নেটওয়ার্কে থাকা দুটো পিসি যেমন একটি থেকে আরেকটি ফাইল গ্রহণ করতে পারে টরেন্টের বিষয়টাও একই রকম। একে বলা হয় Peer to Peer যার মানে দাঁড়াই পিসি থেকে পিসি। অনলাইনে অনেকেই আছে যারা নিজেদের ফাইলকে শেয়ার করে রাখে যাতে অন্য কেউ ডাউনলোড করে রাখে। তম্মধ্যে কেউ গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়ারের নাম দিয়ে ভাইরাস ছড়াই আবার অনেকেই ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে তা করে। সে যাই হোক। ঐ রকম শেয়ার করা ফাইল যখন আপনি ডাউনলোড করবেন তখন আপনি টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করছেন। ডাউনলোড করার পর আপনিও সেই ফাইল অন্য কেউ ডাউনলোড করার জন্য শেয়ারে দিতে পারেন। আপনি শেয়ারে দিলে সেটাকে বলা হয় Seeds। এমনকি আপনি একই সময়ে ডাউনলোড করা ফাইলটি Seeds করতে পারেন। একে Peer বলে। এতে আপনার যতটুকু ডাউনলোড হয়েছে ততটুকু থেকে অন্য জন ডাউনলোড করতে পারবে। এভাবে আপনি দিলেন, আমি দিলাম, অন্য আরেকজন দেয়ার ফলে ফাইলটার কতগুলো সার্ভার হয়ে গেলে চিন্তা করে দেখেন। যত বেশি Seeds হবে তত বেশি ডাউনলোড স্পিড হবে। তবে নেটের স্পিডের ব্যাপারও আছে। আপনি লিমিডেট ইউজার হলে Seeds অফ করে রাখেন।

ধরেন কেউ আমার শেয়ারে দেয়া ফাইলটি ডাউনলোড দিল কিন্তু আমি তার ডাউনলোড শেষ হওয়ার আগেই আমার শেয়ার বন্ধ করে দিলাম। তখন তার কি হবে? কিছুই হবে না। তার ডাউনলোড চলতে থাকবে এবং পুরো ফাইলটাই সে ডাউনলোড করতে পারবে। কিভাবে? আমার শেয়ারিং বন্ধ করে দিলে কি হবে আপনিতো শেয়ারিং বন্ধ করেন নি, বা অন্য আরেকজন শেয়ারিং বন্ধ করে নি। ফলে একটা শেয়ারিং বন্ধ করে দিলেও কাছাকাছি আরেকটি Tracker বা সার্ভার বা পিসি থেকে ফাইলটি ডাউনলোড হতে থাকবে। এভাবে আপনি রিজিউম সাপোর্ট পাবেন প্রায় আজীবন যা অনলাইন সার্ভারে সম্ভব নয়। কারণ অনলাইন সার্ভারের ফাইলটা Remove করা হলে আপনার রিজিউম বন্ধ হয়ে যাবে।  

টরেন্ট ডাউনলোডঃ আগেই বলেছি আমরা সাধারণ যে সফটওয়ারগুলো ডাউনলোড করি তা কোন অনলাইন সার্ভারে আপলোড করা থাকে। আর ঐ ফাইলগুলো ডাউনলোড করার জন্য আইডিএম বা এ জাতীয় কোন ডাউনলোডার ব্যবহার করি। তবে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোডের জন্য ঐ ডাউনলোডারগুলো কাজ করে না। টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য BitTorrent, µTorrent বা এ রকম টরেন্ট ডাউনলোডার ব্যবহার করতে হয়। আমি µTorrent দিয়ে নিচে লেখছি।

১। µTorrent সেটাপ দিন। এবার আপনি যে টরেন্ট ফাইলটি ডাউনলোড করবেন তার লিংকের উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Copy Link Location এ ক্লিক করে ফাইলটির লিংক কপি করুন।

২। আপনার µTorrent রান করুন। File>Add Torrent from Url… এ ক্লিক করেন। এতে আপনার লিংকটি পেষ্ট হয়ে যাবে নিচের ছবির মত। Ok দিন।


৩। Save as ডায়লগ বক্সের মাধ্যমে কোথায় সেভ করবেন দেখিয়ে দিয়ে ওকে দিন। ডাউনলোড শুরু হবে। আমার নিচের ছবিতে একটি ফাইল ডাউনলোড হচ্ছে আরেকটি Seeds এ আছে।


টরেন্টের সুবিধাঃ
১। টরেন্টে যেকোন ফাইল পাওয়া যায়।
২। নেট কানেকশন পাওয়া মাত্রই রিজিউম শুরু হয়। তাই রিজিউম নিয়ে ইউজারের কোন চিন্তা থাকে না।
৩। কখনো কখনো আশাতীত স্পীড পাওয়া যায়।

টরেন্টের অসুবিধাঃ
১। গুরুত্বপূর্ণ ফাইল মনে করে ইউজাররা অনেক সময় ভাইরাস ডাউনলোড করে ফেলে। তাই শক্তিশালী এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। বিশ্বস্থ সাইট থেকে ডাউনলোড করুন।

No comments:

Post a Comment